October 14, 2026, 9:34 am
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা গ্রামে যমুনা নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গতকাল শনিবার দুপুরে ৩০ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। ফলে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে বাঁধ ভাঙা আতঙ্ক বিরাজ করছে। হুমকির মুখে পড়েছে ফসলি জমি ও বসতভিটা। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ভর্তি বালুর বস্তা ফেলা শুরু করেছে।
বাহুকা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল ওহাব বলেন, দ্রুত ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে জমিজমা যা আছে নদীর পেটে চলে যাবে। বাড়িঘর যা কিছু ছিল সব নদীতে গেছে। কোনমতে বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছি। আবার ভাঙলে যাব কোথায়। অপর দিকে, জেলার চৌহালী উপজেলার চর সলিমাবাদ পয়েন্টে এরইমধ্যে প্রায় ১২০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ (বালুভর্তি বিশেষ ব্যাগ) ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। চৌহালী উপজেলার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করে সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মওদুদ আহমেদ সবুজ বলেন, চর সলিমাবাদ পয়েন্টের প্রায় ১২০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে চলে গেছে।
চর সলিমাবাদ এলাকায় নতুন একটি চর জেগে ওঠার কারণে নদীর মূল স্রোতটি সরাসরি তীরে এসে আঘাত করছে। আর এই কারণেই সেখানে আকস্মিক ও তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে চর সলিমাবাদ পয়েন্টে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু করেছি যাতে ভাঙন আর অগ্রসর হতে না পারে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, গত ৮ জুন থেকে যমুনা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করে। নদীতে পানি কখনও কমছে আবার কখনও বাড়ছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে।
আজ রোববার (২১ জুন) সকালে দেবে যাওয়া বাঁধ সংস্কারণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে কাজ করা হচ্ছে। ভাঙনরোধে বালুর বস্তা ফেলা শুরু করা হয়েছে। এতে আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই।